সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে খুলনা মহানগর বিএনপির সাবেক নেতাদের নানা মন্তব্য নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক পদ ফিরে পাওয়া, সাবেক কমিটির নেতাদের পুনর্বহালসহ বিভিন্ন তথ্য উল্লেখ করে ফেসবুকে নানান মন্তব্য তুলে ধরছেন অনেকে।
তবে বিএনপির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা জানান, এ ধরনের কোনো তথ্য তাদের কাছে নেই। হঠাৎ করে কেন তারা-এমন মন্তব্য করছেন জানেন না নজরুল ইসলাম মঞ্জুও।
দলের একটি সূত্র জানায়, গত মার্চ মাসে ১০১ সদস্যের খুলনা মহানগর বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটি কেন্দ্রে জমা হয়। সেই কমিটি অনুমোদনের প্রক্রিয়াও ঝুলে রয়েছে। ওই কমিটিতে সাবেক নেতাদের পুনবর্হালসহ বিকল্প আরেকটি প্রস্তাব কেন্দ্রে জমা দেওয়া হয়েছে। বিষয়গুলো নিয়ে কেন্দ্রীয় কমিটির এখনও কোনো বৈঠক হয়নি। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া সবই গুজব বলে মন্তব্য তাদের।
বিএনপি নেতাকর্মীরা জানান, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে খুলনা-২ আসনে নজরুল ইসলাম মঞ্জুকে মনোনয়ন দেওয়ার পর থেকে দলে তাকে ও অনুসারীদের মহানগর বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে অন্তর্ভুক্তির আলোচনা শুরু হয়। বিভিণ্ন সময় মহানগর বিএনপির কমিটি ভেঙে দেওয়া, নতুন কমিটি গঠন, পুরাতনদের পুনবর্হালসহ সামাজিক মাধ্যমে নানাগুজব ছড়িয়ে পড়ে। তবে কোনো গুজবের সত্যতা পাওয়া যায়নি। গত কয়েকদিন ধরেই কয়েকজন নেতা একইভাবে বিভিন্ন মন্তব্য করে আলোচনায় আসার চেষ্টা করছেন।
এ ব্যাপারে খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি শফিকুল আলম মনা বলেন, ‘পূর্ণাঙ্গ কমিটি আমরা কেন্দ্রে জমা দিয়েছি। এর বাইরে আমার কিছু জানা নেই। ফেসবুকে অনেক তথ্য দেখতে পাচ্ছি, এর কোনো সত্যতা নেই।’
মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও কেসিসির প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, ‘আমিও ফেসবুকে এসব তথ্য দেখছি। সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে পরশুদিন প্রধানমন্ত্রীর ডেকেছিলেন। সেখানে দলীয় কোনো বিষয়ে আলোচনা হয়নি। বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক পদ পুনর্বহালের বিষয়ে কেন্দ্র থেকে আমার সঙ্গে কেউ কোনো কথা বলেনি।’
খুলনা গেজেট/এনএম

